| ফারুক আহমেদ, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) : নাগেশ্বরীর পিআইও এর ঘুষ কেলেঙ্কারী কি তদন- হবে? ডিজিটাল বাংলাদেশ স্বপ্ন বাস-বায়ন হতে না হতেই পর্দার আড়ালে দূর্নীতির নায়ক সেজে প্রকল্প বাস-বায়ন কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখার) হাজার হাজার টাকা কালো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অসহায় মেম্বারদের কাছ থেকে। জানা যায়, নাগেশ্বরী উপজেলার গ্রামীণ অবকাঠামো সংস'ার কর্মসূচীর আওতায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) বারোটা বানিয়ে প্রকল্প বাস-বায়ন কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন পকেট ভারী করছেন। এ প্রকল্প বাস-বায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রয়েছে। ওপেন সেক্রেট ঘুষ গ্রহণ, দূর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারীতা ও ক্ষমতার অপব্যবহার সহ নানামূখী দূর্নীতি সরকারী নীতিমালাকে তার নিজ পকেটে রেখে নিরব দূর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছে। নাগেশ্বরী উপজেলা থেকে দূর্গম এলকা নারায়নপুর ২০ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় কাজের বিনিময় খাদ্য কর্মসূচী মনছুর আলী ৮ মেঃটন, মোসলেম আলী ৮ মেঃটন, সুফিয়া সংরক্ষিত মহিলা ৮ মেঃটন, আব্দুল বারেক ৬ মেঃটন, ফরিদুল ৮ মেঃটন সর্বমোট ৩৬ মেঃটন কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) নামমাত্র কাজ করে সমুদয় কাবিখার চাউল কালো বাজারে বিক্রি করে দিয়ে দূর্নীতিবাজ মেম্বারগণ সহ প্রকল্প বাস-বায়ন কর্মকর্তার যোগসাজসে ফ্রি স্টাইলে আত্মসাৎ করেন মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে প্রকল্প বাস-বায়ন কর্মকর্তা ও স্ব-স্ব ওয়ার্ডের মেম্বারগণ। অপর দিকে আরও এক তথ্যে জানা যায়, কচাকাটা ইউনিয়নে কাজের বিনিময় খাদ্য (কাবিখা) আবুল কাশেম ৬ মেঃটন, মজিরণ ৬ মেঃটন, নুন্নাহার ৬ মেঃটন, মিজানুর ৬ মেঃটন সরকারী ভাবে রাস-ার সংস্কারের কাজে বরাদ্দ পেলেও সরকারী মেনুয়েল অনুযায়ী ১ফুট মাটি কাটার বিধান থাকলেও কোথাও কোন তা সঠিকভাবে করা হয় নাই মর্মে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে আরও জানা যায়, এই কাজের বিনিময়ে খাদ্য কাবিখার লেবার শ্রমিকদেরকে কাজ শেষে চাউল দেওয়ার বিধান থাকলেও কোথাও কোন শ্রমিদেরকে চাউল দেওয়া হয় নাই। শ্রমিকদেরকে নামমাত্র কয়েক টাকা হাতে ধরিয়ে দিয়ে উক্ত কাবিখার চাউল বিক্রির টাকা গুলো প্রকল্প বাস-বায়ন কর্মকর্তা মোবারক হোসেন সহ ভাগবাটোয়ারা করে নেন। তার দূর্নীতির খবর দৈনিক পত্রিকা সহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পরেও দুর্নীতিবাজ প্রকল্প বাস-বায়ন কর্মকর্তার কোন প্রকার টনট নড়ছে না। এদিকে উপজেলা বাস-বায়ন কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন এসব দূর্নীতি ও লুটপাটের সহযোগিতা করতে কোন প্রকার তোয়াক্কা করছে না। এব্যাপারে প্রকল্প বাস-বায়ন কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি শাক দিয়ে মাছ ঢাকার জন্য অন্যের ঘাড়ে লাঙল রাখেন তাই এলাকাবাসী উক্ত দূর্নীতিবাজ প্রকল্প কর্মকর্তার দূর্নীতি গুলো তলিয়ে দেখার জন্য জেলা প্রশাসক থেকে শুরু করে প্রশাসনের উচ্চ মহলের নিকট আশু হস-ক্ষেপ কামনা করছে। অপরদিকে এই প্রকল্প বাস-বায়ন কর্মকর্তা মোকারম হোসেন এর লাগামহীন দুর্নীতি স্বজনপ্রীতিসহ তারকাছে কোন প্রকার বিলের সহি স্বাক্ষর নিতে গেলে দরিদ্র মেম্বারগণের কাছ থেকে আগা-ভাগা ঘুষের টাকা নিয়ে থাকেন মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় এই দুর্নীতিবাজ প্রকল্প বাস-বায়ন কর্মকর্তা নিজেকে নাছোর বান্দা ভেবে দীর্ঘদিন থেকে নিরব দুর্নীতি চালিয়ে আসছে রমরমাভাবে। উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে এ সরকারের মহৎ উদ্দেশ্য মঙ্গা ঠেকাও কাজের বিনিময় খাদ্য (কাবিখা) ওপেন সিক্রেট দুর্নীতি স্বজনপ্রীতিসহ তার নানা দুর্নীতির লঙ্কাকান্ড বাড়িয়ে আসা অসহায় মেম্বারগণ নাজেহাল হয়ে পড়েছে। এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা মোকারম হোসেনের নিকট অসহায় মেম্বারগণ কোন প্রকার সহি স্বাক্ষর নিতে গেলে উক্ত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে অগ্রীম ঘুষের টাকা সেলামী নিতে হয়। তার ঘুষ বাণিজ্যে কোন মেম্বার ঘুষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে অশীল ভাষায় গালি-গালাজসহ তার ফাইল এ টেবিল ও টেবিল দিনের পর দিন, মাসের পর মাস ঘুরাতে থাকেন শুধু ঘুষের টাকার আশায়। এ ব্যাপারে কোন ইউপি সদস্য প্রতিবাদ করলে তাকে গুন্ডা মাস-ান দিয়ে ভয় দেখায় এবং তাদের বিল আটকিয়ে রাখেন এভাবে দীর্ঘদিন বিল উত্তোলনের কাগজপত্র পরে থাকতে থাকতে অসহায় মেম্বাররা ঘুষ দিয়ে বিল উত্তোলনের কাগজপত্র সহি স্বাক্ষর করে নিতে বাধ্য হন। এভাবে তিনি নাগেশ্বরী উপজেলায় যোগদান করার পর থেকে দুর্নীতির আখড়া প্রকল্প বাস-বায়ন অফিসটিকে নিয়ে কাল টাকার পাহাড় জমাচ্ছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মেম্বার জানান গত কয়েকদিন আগে তার নিকট কাবিখা প্রকল্পের ঘুষের টাকা চাইলে তাকে অশীল ভাষায় গালি-গালাজসহ এক পর্যায়ে ধাক্কা-ধাক্কি শুরু করে। উপজেলা প্রকল্প বাস-বায়ন কর্মকর্তা মোকারম এর ভালই দিন চলছে ঘুষ বাণিজ্য নিয়ে তার এই ঘুষ বাণিজ্য ছাড়া তিনি কোন কাজই সহজেই মেনে নিতে পারছেন না। এ ব্যাপারে এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা মোকারম হোসেনের বিরুদ্ধে দৃষ্টান- মূলক শাসি-সহ অন্যত্র বদলী করার দাবী জানিয়েছেন নাগেশ্বরী বাসী।
|