| মামুন অর রশিদ (ঠাকুরগাঁও) : হামার বাওর বাপ বাঁচে থাকিতে একবার বঙ্গবন্ধু শেখ সাহেবের আমলে পাইছনু ‘লঙ্গর খানার রুটি’ আর এরশাদের আমলত পাইনু কন্টোলের লাল আটা সেবেলাতে আর, কুনোডা গগরমিন (সরকার) কিছুই দেইনি মোক। মঙ্গলবার আবেগাপুত হয়ে কথাগুলো বলেন অশিতীপর বৃদ্ধা মেহিশ্বরি (৮৫)। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও গ্রামের মৃত গিয়াসউদ্দীন টিহাকুর বিধবা স্ত্রী সে। মেহিশ্বরী’র এক চোখ নেই গত ২৫ বছর যাবত আর যেটি দিয়ে তিনি এখনো কোনোমতো দেখতে পান সেটারও যায় যায় অবস'া মূমূর্ষ। যে কোনো সময় তার সামনে থেকে সব আলোই যাবে নিভে। মেহিশ্বরী এলাকার চেয়ারম্যন মেম্বারসহ অনেক সমাজসেবকের চৌকাঠে তিনি গত পনের বছর যাবত ঘুরছেন। কিন' কোনোভাবেই যোগাড় হয়নি তার একটি বয়স্ক বা বিধবা ভাতার কার্ড । স্বামী টিহাকু মৃত্যুকালে মেহিশরীর শেষ আশ্রয় ভিটেমাটিটাও রেখে যেতে পারেননি। তার ৫ সন-ানের কেউ স্কুলে যেতে পারেনি। ছেলেরা দিনমজুরী করে কোনভাবে স্ত্রী সন-ান নিয়ে সংসার চালাচ্ছে। তবে বৃদ্ধ মায়ের ভরনপোষণের ভার বহন করে না। সরকার বা স'ানীয় জনপ্রতিনিধিদের তরফ থেকে কোন সহায়তা পাচ্ছে না। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান এমদাদুল হক বলেন এতদিন বিষয়টি জানতাম না। এখন দ্রুত ব্যবস'া নেয়া হবে।
|