নড়াইলের লোহাগড়ার কানি- ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের ভূয়া কনসালটেন্ট ডাঃ সৌমেন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে রোগীদের হয়রানী করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, কানি- ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে নিয়োগ কৃত ভূয়া কনসালটেন্ট ডাঃ সৌমেন বিশ্বাস দীর্ঘদিন প্যাথলজিতে রোগীদের ভূয়া রিপোর্ট দিয়ে হয়রানী করে আসছে। গত ২৩ মার্চ কানি- ডায়াগনষ্টিক সেন্টার থেকে রোগী পারমলিকপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক কাজীর স্ত্রী মোছাঃ পরীজান বেগমকে আল্ট্রাসোনোগ্রাম করা হলে গল্ববিলাডারে পাথর হয়েছে বলে ভূয়া রিপোর্ট দেয় এবং বলে আজই অপারেশন না করলে রোগী মারা যেতে পারে। যার ফলে রোগীর স্বজনরা তড়িঘড়ি করে অপারেশনের জন্য পাশ্ববর্তী আলারদান সার্জিক্যাল ক্লিনিকে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত ডাক্তারের সন্দেহ হয় এবং রোগীর স্বজনদের পূনরায় পরীক্ষা করার জন্য বলেন। পূনরায় সনলোজিষ্ট দারা পরীক্ষা করা হলে রিপোর্টে রোগীর পিত্তথলীতে কোন পাথর পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পত্রে উলেখ আছে, কানি- ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে দুজন টেকনিশিয়ানই বর্তমানে সরকারী হাসপাতালে কর্মরত আছে। ইতি পূর্বে তারা এরকম ঘটনা আরও ঘটিয়েছে। সরকারী হাসপাতাল থেকে ঔষধ এনে কানি- ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ আছে। তথাকথিত ডাক্তার সোমেন বিশ্বাস বিএমডিসি এর অনুমোদন ছাড়া ইউএসজি করে রোগীদের নানা ভাবে হয়রানী করছেন। কিন' বিএমডিসি নূন্যতম এমবিবিএস ডাক্তারদের রেজিষ্ট্রেশন দিয়ে থাকে। উক্ত সোমেন বিশ্বাস কোন এমবিবিএস বা সমমানের ডিগ্রী অর্জন করে নাই। ইতোপূর্বে লোহাগড়া হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার উত্তম কুমার দেওয়ান এর চিকিৎসাধীন ১ গর্ভবতী মহিলা মোছাঃ শেফালী খানমকে ইউএসজি করে ওই ডাক্তর সোমেন বিশ্বাস একটি জীবিত সুস'্য বাচ্চা আছে বলে সনাক্ত করেন। কিন' ৭দিন পর সিজার করা হলে ওই মহিলার পেটে ২টি সুস'্য সবল বাচ্চা পাওয়া যায়। যা পরবর্তীতে ডাক্তর উত্তম দেওয়ানকে বিব্রতকরে। রোগীর অভিভাবকরা ভূয়া আল্ট্রাসোনোগ্রাম রিপোর্টে ক্ষতিগ্রস' হওয়ায় ক্ষতিপূরণ সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস'া গ্রহনের দাবী জানিয়ে নড়াইল সিভিল সার্জন সহ সংশিষ্ট একাধিক দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন। কানি- ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের মালিক শংকর কুমার অধীকারী বলেছেন, রোগীর রোগ পরীক্ষা-নিরিক্ষার ক্ষেত্রে শতকরা ২০টি রিপোর্ট ভূল হতেই পারে।