| জনপল, দৌলতপুর (খুলনা) : আন-র্জাতিক মানে রুপ নিচ্ছে শেখ আবু নাসের ষ্টেডিয়াম। গত ২০০৬ সালের মার্চ মাসে অনুষ্টিত বাংলাদেশ ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে আন-র্জাতিক মানের ভ্যেনু হিসেবে পরিচিতি লাভ করে ষ্টেডিয়ামটি। এছাড়া জাতীয় ও যুব বিশ্বকাপের কয়েকটি ম্যাচও অনুষ্ঠিত হয় এ ষ্টেডিয়ামে। এতদিন বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল ষ্টেডিয়ামটি। আন-র্জাতিক মানসম্মত কোন অবকাঠামো এতদিন গড়ে উঠেনি । আগামী ২০১১ এর ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ স্বাগতিক হিসেবে উদ্বোধনীসহ কয়েকটি ম্যাচ খেলবে দেশের মাটিতে। এসকল ম্যাচের ভ্যেনু করা হয়েছে ঢাকার মীরপুর ও চট্টগ্রামের ষ্টেডিয়াম। তবে বিকল্প ভ্যেনু হিসেবে ধরা হয়েছে খুলনা শেখ আবু নাসের ষ্টেডিয়ামকে। এজন্য আন-র্জাতিক মানের ষ্টেডিয়াম হিসেবে প্রম্তুত রাখতে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ। সমপ্রতি ষ্টেডিয়ামটির নব অবকাঠামোর জন্য ৫১ কোটি টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্ধে ফ্লাড লাইট, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যাবস'া, ইলেকট্রিক্স ডিসপেবোর্ডসহ বেশ কিছু আধুনিক সুযোগ-সুবিধার প্রস-াব রাখা হয়েছে। প্রস-াবিত বরাদ্ধে সবচেয়ে বড় ব্যায় ধরা হয়েছে ফ্লাড লাইট বাবদ। যার বরাদ্ধের মূল্য প্রায় ৮ কোটি টাকা। মাঠের উচ্চতা ও উইকেট নির্মান বাবদ ধরা হয়েছে প্রায় ৩ কোটি টাকা। মাঠের নিচের ড্রেনেজ ব্যাবস'ার জন্য ধরা হয়েছে দেড় কোটি টাকা। আধুনিক এই ড্রেনেজ ব্যাবস'ায়, আউটফিল্ডের দেড় ফুট নিচ দিয়ে চর্তুদিকে ঘুরিয়ে থাকবে ৬ ইঞ্চি চৗড়া পানি নিষ্কাসনের ড্রেনেজ ব্যাবস'া। ড্রেনের উপরে থাকবে পানি টেনে নৌয়ার বিশেষ ব্যাবস'া। ফলে বৃষ্টি হলে উপরের পানি চুইয়ে দ্রুত বেরিয়ে যেতে পারবে। সুতরাং মাঠ শুকাতে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করার দরকার নেই। এতদিন সুপার সপার দিয়ে মাঠ শুকানো হত, কিন' বর্তমান সময়ের আধুনিক ব্যাবস'া শুধুমাত্র এশিয়ার কয়েকটি মাঠে রয়েছে। পুরানো ড্রেসিং রুম ভেঙ্গে তৈরী করা হচ্ছে আন-র্জাতিক মানের ড্রেসিং রুম।এছাড়াও রয়েছে জিমনেসিয়াম, ফিজিও রুম, মিডিয়া ব্রিফিং রুম, আধুনিক মেডিক্যাল ট্রিটমেন্ট সেন্টার । সব মিলিয়ে অবহেলিত খুলনাবাসীর জন্য শেখ আবু নাসের ষ্টেডিয়াম বর্তমান সরকারের এক অনবদ্য অবদান।
|