চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেক) এ মেডিকেল চোর দালাল,পাতিতা এবং রিপ্রেজেন্টেটিভদের দৌরাত্ম্য উদ্বেগ জনক হারে বেড়েছে। একই সাথে চিকিৎসার নামে ব্যবসাও চলছে দেদর স্ে। শুধু চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ নয়, সারাদেশে চিকিৎসার নামে যে বাণিজ্য চলছে তা সবারই জানা। কিন' অনেকেই হয়তো জানেন না এই বাণিজ্যের এখন কোনো সীমা-পরিসীমা নেই। সব নিয়ম-কানুন এমনকি সব ধরনের মানবিকতা উপেড়্গা করে চিকিৎসকরা ঝুঁকে পড়ছেন চিকিৎসা বাণিজ্যে। দেশের বড়-বড় চিকিৎসা কেন্দ্রে এ ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য চলবে তা কল্পনা করাও কঠিন। অথচ এদেশে তাই হয়, যা মানুষ কখনোই কল্পনা করে না। দেখা যায়, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগ আন- বিভাগ থাকে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের দখলে। একই অবস'া চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালেরও। বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের ভিড়ে এখানে আসা রোগীরা পড়েন নানা বিড়ম্বনায়। আবার অর্থের জন্য হাসপাতালের অনেক ডাক্তার নিম্নমানের ওষুধের ব্যবস'াপত্রও লিখে দিচ্ছেন হরহামেশা। ফলে ওষুধ সেবন করে রোগ নিরাময়ের পরিবর্তে রোগীরা আরো জটিল রোগে আক্রানত্ম হচ্ছেন। মেডিকেলের বাইরের ওষুধের দোকানের একশ্রেণীর দালাল মেডিকেলের চারপাশে ঘুরে বেড়ায়। রোগীর আত্মীয়-স্বজনদের বিভিন্ন সুবিধার কথা বলে তাদের কাঙিড়্গত ফার্মেসিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর গলাকাটা দামে ওষুধ বিক্রি করে থাকে। চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে আসা জনাব মোজাম্মেল আজকের বসুন্দ্বারাকে জানান ,চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে দালাল এবং চোর এবং পতিতা দের দখলে ॥ আয়া ,নাস্,থেকে শুরু করে বের্ড অফ ডাইরেক্টর পযনর্- দূণীতিবাজ ॥ সরকারি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি গরিব-মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের চিকিৎসার একমাত্র অবলম্বন হলেও এখানে টাকা ছাড়া কোন কিছুই হয় না। একমাত্র বেড-ডাক্তার ছাড়া রোগীরা আর কিছুই পায় না। একজন মুমূর্ষু রোগীকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করালে রোগীর আত্মীয়-স্বজন অনেকটা জিম্মি হয়ে পড়ে। রোগী হঠাৎ বমি করলে, মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করলে, ভীষণ ব্যথা অনুভব হলে, স্যালাইন পাইপ দিয়ে রক্ত চলে আসলে, স্যালাইন বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা খুলে গেলে এ সময় রোগীর আত্মীয়-স্বজন ডাক্তার কিংবা নার্সদের ডাকতে গেলে চরমভাবে নাজেহাল হওয়ার পাশাপাশি যান-যান পরে আসব, আপনার এক রোগী নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না, এখানে আসছেন কেন?- এসব ধমক শুনতে হয়। আর এ ব্যাপারে কেউ প্রতিবাদ করলে তো তার রড়্গা নেই। এছাড়া নিম্নমানের ওষুধ লিখে দেওয়া, অনেক ড়্গেত্রে টেস্টের প্রয়োজন না হলেও কমিশন বাণিজ্যের জন্য ডাক্তারদের পছন্দনীয় ল্যাবের নাম লিখে টেস্টের জন্য পাঠানো হয়। অথচ এসব টেস্ট মেডিকেলেই করার কথা। মেডিকেল থেকে রোগীদের ওষুধ ফ্রি দেয়ার কথা কখনোই কল্পনা করা যায় না। টাকার অভাবে টেস্ট ও ওষুধ কিনতে না পারায় অনেক রোগী মারা যায়। আর ছোটখাটো অপারেশন করাতে হলেও কমপড়্গে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার ওষুধ লিখে দেয়া হয়। এসব ওষুধ, অপারেশন থিয়েটার (ওটি’তে) ঢোকানো হলে বেঁচে যাওয়া ওষুধ কিংবা অপারেশনের সরঞ্জামাদি কখনোই রোগীর আত্মীয়-স্বজনকে ফেরত দেওয়া হয় না। চমেক হাসপাতালে ডাক্তারদের চেয়ে গার্ড, নার্স, ওয়ার্ড বয়, ঝাড়ণ্ডদার এদের দাপট আরো বেশি। ট্রলিতে করে একজন রোগীকে পরীড়্গার জন্য নিচে নামানো কিংবা ওটি’তে নিতে হলে নিয়ে যাওয়া বাবদ সংশিস্নষ্ট কর্মচারীদের টাকা দিতে হবে। মৃত ব্যক্তির লাশ নীচে নামিয়ে দিলেও টাকা দিতে হয়। এমন হাজারো অভিযোগ চমেক হাসপাতালের বিরম্নদ্ধে থাকলেও কেউ যেন তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। তবে কিছু কিছু ডাক্তার রয়েছে তারা অত্যনত্ম দায়িত্বশীল। এসব ডাক্তাররা গরিব রোগীদের চিকিৎসা সেবা ছাড়াও মানবিক দিক বিবেচনা করার চিনত্মা করলেও এখানকার অলিখিত নিয়মের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে তা করতে পারেন না। অপরদিকে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের দৌরাত্ম্যে রোগী, রোগীদের আত্মীয়-স্বজন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। প্রায়শ দেখা যায়, মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের সময় দিতে গিয়ে রোগীদের দিকে যথেষ্ট মনোযোগ দিতে পারেন না ডাক্তাররা। এই দুরঅবস'ার কারন খুজতে গিয়ে দেকা যায , এক শ্রেণীর ডাক্তাররা, চমেক থেকে বিতারিত এবং চাকুরি অব্যাহত লেক আয়া ণাস দের এর একটি অংশ নামে বেনামে বিভিন্ন প্রাইভেট চিকিৎসসা কেন্দ্রের দায়িত্বে নিয়ে পরিচালনা করছে । বর্তমানে ব্যঙের ছাতার মতো গজিয়েছে বেসরকারী মেডিকেল ক্লিনিক এবং তাদের প্রতারনার ষ্টাইল ও বদরেছে॥ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এ সমস্যার ব্যাপারে কর্তৃপড়্গ অবহিত নন তা শুনে আৎকে কে উঠলাম পরে বিভিন্ন ডাক্তার দের সাথে আলোচনায় এই কথা গুলো শোনা যায় । চিকিৎসকদের পড়্গ থেকে নিষেধাজ্ঞা না থাকায় তারা আরো বেপরোয়াভাবে বাণিজ্য ধান্দা চালিয়ে যান। এতে রোগীদের কি হলো না হলো তা ভাবার বা দেখার কোনো দায়িত্ব তারা বোধ করে না। চমেক হাসপাতালের মত চিকিৎসা- শিড়্গা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের পরিবেশ পরিসি'তি শুধু অকল্পনীয় নয় বরং জাতীয়-জীবনের জন্য অত্যনত্ম গস্নানিকর। পাশাপাশি এটি খুবই উদ্বেগজনক যে, দিনের পর দিন ধরে এই অব্যবস'াপনা চলতে দেয়া হচ্ছে। সরকারকে এ ব্যাপারে বিশেষ পদড়্গেপ নিতে হবে। তবে অবিলন্বে চমেক হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারী ক্লিনিকে এসব দূর্ণীতি রিপ্রেজেন্টেটিভদের দৌরাত্ম্য বন্ধসহ সমস্যাগুলোর সমাধানে পদড়্গেপ নিতে হবে বলে অভিঙ মহল মনে করেন |