স্টাফ রিপোর্টার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে জনদুর্ভোগের কথা স্বীকার করে এ জন্য বিগত চারদলীয় জোট এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উদ্যোগহীনতাকে দায়ী করেছেন। তিনি সঙ্কট মোকাবেলায় সকলকে আরো সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সরকার বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করছে। সাত বছরের জঞ্জাল রাতারাতি পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। এ জন্য সময় লাগবে। প্রধানমন্ত্রী মহাখালিতে আইটি ভিজেল প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজ এগিয়ে চলছে। এ জন্য দেশের প্রযুক্তিবিদ, গবেষক ও সংশিস্নষ্ট সংস'াকে উদ্যোগী ভূমিকা নিতে হবে। হোটেল শেরাটনে বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো ২০১০-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এই আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে এএসওসিআইও’র আইটি এওয়ার্ড দেয়া হয়। অনুষ্ঠান উদ্বোধন শেষে বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন তিনি। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী এ এম এ মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী কর্ণেল (অব.) ফারুক খান, প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, এশিয়া-প্রশানত্ম মহাসাগরীর অঞ্চলের কম্পিউটিং ইন্ডাষ্ট্রি অরগাইজেশনের (এএসওসিআইও) প্রেসিডেন্ট লুই ক্যান লিয়ন এবং এক্সিয়েটা (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ব্যবস'াপনা পরিচালক মিকাইল কুইনার। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোসত্মফা জব্বার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ খাতের চিত্র তুলে ধরে বলেন, বিগত সময়ে সরকারে থাকাকালে যতোটুকু বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো, এবার ক্ষমতায় এসে দেখা গেল অবস'া তার চেয়েও খারাপ। বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে গ্যাস সঙ্কটকে প্রধান অনত্মরায় হিসাবে চিহ্নিত করে তিনি বলেন, বিদ্যুত উৎপাদনের জন্য গ্যাসের প্রয়োজন। অথচ বিগত আওয়ামী লীগ সরকার যে কয়টি গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কার করেছিল, সেখানেই থেমে আছে। সাত বছরে গ্যাস উৎপাদন খাতেও কোনো উন্নতি হয়নি। প্রধানমন্ত্রী নিজ কার্যালয়ে সোলার প্যানেল স'াপনের কখা উলেস্নখ করে বলেন, প্রত্যেক অফিসের উচিত সোলার প্যানেল ব্যবহার করা। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে দৈনিক প্রায় ছয় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হচ্ছে গড়ে চার হাজার মেগাওয়াট। লোডশেডিং দিয়ে পরিসি'তি সামাল দিতে হচ্ছে। এতে শিল্পোদ্যোক্তারাসহ দেশের মানুষ অসনেত্মাষ প্রকাশ করে আসছে। তিনি সকলকে ধৈর্য্য ধরে পরিসি'তি মোকাবেলার আহ্বান জানান। |