 |
|
|
 |
|
|
| সারের দাম অর্ধেকে নামলো
|
| ২ হাজার ৭৫৬ কোটি টাকা নয়া ভর্তুকি
|
| ইরি-বোরো মওসুমকে সামনে রেখে ইউরিয়া ছাড়া অন্য তিন ধরনের সারের দাম ৫০ শতাংশ কমানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এতে সরকারকে ২ হাজার ৭৫৬ কোটি টাকা বা ৫৫ শতাংশ ভর্তুকি দিতে হবে। আগে এই ভর্তুকির পরিমাণ ছিল ১৫ শতাংশ বা ৬০০ কোটি টাকা। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী প্রতি কেজি ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) ৭৫/৮০ টাকা থেকে কমিয়ে ৪০ টাকা, মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) ৭০ টাকা থেকে কমিয়ে ৩৫ টাকা এবং ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেটের (ডিএপি) দাম ৮৭/৯০ টাকা থেকে কমিয়ে ৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এবং শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়-য়া এক প্রেসব্রিফিঙে সারের দাম কমানোর ঘোষণা দেন। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ড়্গমতায় আসার পর পরই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে সারের দাম অভাবনীয়ভাবে কমালো। এর আগে সরকার কেরোসিন ও ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ২ টাকা করে কমায়। কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সক্রিয় উদ্যোগে এবং আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার পূরণের লড়্গ্যে নন-ইউরিয়া সারের দাম কমানো হয়েছে। আমরা মনে করি, এতে বোরো মওসুমে কৃষক স্বসি-র নিঃশ্বাস ফেলবে। ইউরিয়া সারে ইতিমধ্যেই কেজিপ্রতি ৩০ টাকা করে ভর্তুকি রয়েছে বলে প্রেসব্রিফিঙে জানানো হয়। দেশে সারের মজুদ সম্পর্কে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমাদের যে মজুদ আছে সেটা আগে খালি করতে চাই। আমি তো এটা পানিতে ফেলে দিতে পারি না। যে-ই এনে থাকুক না কেন তারা তো খারাপ উদ্দেশ্যে আনেননি। তখন প্রয়োজন ছিল তারা এনেছেন। পরবর্তীতে ১৫ শতাংশ ভর্তুকি দেয়ার পরও কৃষক নিচ্ছে না। নিতে পারছে না। তাই আমরা কষ্ট হলেও এটা দিয়ে দেবো। মতিয়া চৌধুরী বলেন, এর আগে প্রতি কেজি বিক্রয় মূল্য ছিল টিএসপি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, এমওপি ৬৯/৭০ টাকা এবং ডিএপি ৮৭ থেকে ৯০ টাকা। সব কিছু মিলিয়ে আমরা প্রায় ৫৫ ভাগ ভর্তুকি দিলাম নন-ইউরিয়া সারে। ইউরিয়া সারে আগে থেকেই ভর্তুকি রয়েছে। প্রতি কেজি ১২ টাকায় বিক্রি হলেও ৩০ টাকা ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে। ফলে ইউরিয়া সারে ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা ভর্তুকি ইতিমধ্যেই রয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বোরো মওসুমে ইউরিয়ার চাহিদা হচ্ছে ১২ লাখ ১০ হাজার টন। টিএসপি ৩ লাখ ৭৫ হাজার টন, এমওপি ২ লাখ ৫০ হাজার টন এবং ডিএপি ১ লাখ টনের মতো। মরক্কো, তিউনিশয়া ও বেলারুশ থেকে গত বছর নন-ইউরিয়া সার আমদানি করা হয়। গত মওসুমে আমদানি করা সারের ৮০ শতাংশই অবিক্রিত রয়ে গেছে। তারা বলছেন, বিশ্ব বাজারে সারের দাম এক-তৃতীয়াংশ কমে গেছে। টিএসপি প্রতি টন ৪০০ ডলারে এবং এমওপি ৩৫০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। জুন মাসের আগে আর সার আমদানি করতে হবে না।
|
| | |